সংসদে জোনায়েদ সাকির বক্তব্যকে ‘ অত্যন্ত চমৎকার’ বলে অভিহিত করলেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি পলাশ

জাতীয় সংসদের প্রথম অধিবেশনে জোনায়েদ সাকির বক্তব্যকে ‘অত্যন্ত চমৎকার’ বলে মন্তব্য করেছেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলা বিএনপির সভাপতি কৃষিবিদ মেহেদী হাসান পলাশ।
বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) রাতে সময়ের বাঞ্ছারামপুরের এক প্রশ্নের জবাবে এ মন্তব্য করেন তিনি।
জোনায়েদ সাকির বক্তব্যের প্রতিক্রিয়া জানতে চাইলে মেহেদী হাসান পলাশ বলেন, ‘ সাকি সাহেব অত্যন্ত চমৎকার বক্তব্য দিয়েছেন অল্প সময়ের মধ্যে। সব কিছুকে গুছিয়ে বলেছেন। বাঞ্ছারামপুরের বিএনপির ত্যাগের কথা বলছেন, শহীন নয়নের কথা বলেছেন। সব মিলিয়ে দারুণ এক উপস্থাপনা।
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের পর প্রথম অধিবেশনে বাঞ্ছারামপুরবাসীর চোখ ছিল জোনায়েদ সাকির দিকে। এই অঞ্চলকে তিনি কী ভাবে তুলে ধরেন তা দেখতে মুখিয়ে ছিলেন সবাই। তেজোদীপ্ত বক্তব্যে জুলাইয়ের সময়কার কথা ও রাজনৈতিক বাস্তবতা তুলে ধরেন এই সংসদ সদস্য।
বৃহস্পতিবার ( ১২ মার্চ) জাতীয় সংসদে প্রথম পা রেখেই তিনি শুরু করেন ফ্যাসিবাদী শাসকের নিপীড়ন দিয়ে। দীর্ঘ সময়ের অত্যাচার আর বঞ্চনার কথা তুলে ধরেন তিনি। জুলাই একটি রাজনৈতিক সংগ্রামের ধারাবাহিকতা বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
সংসদে জোনায়েদ সাকি বলেন, আমার নির্বাচনী এলাকা বাঞ্ছারামপুরের বিএনপিকে এক সময় পাটক্ষেত আর কবরস্থানে থাকতে হয়েছে। তারা দীর্ঘ নিপীড়নের কথা বলেছেন আমাকে। সেই ব্যবস্থা থেকে আমরা একটি নয়া বন্দোবস্তে আসতে চাইছি।
সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার কথাও স্মরণ করেন জোনায়েদ সাকি। ৩১ দফার আলোকে দেশকে এগিয়ে নেয়ার প্রত্যায় ব্যক্ত করেন তিনি।
এসময় তিনি আওয়ামী লীগের আমলে বাঞ্ছারামপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত ছাত্রদল নেতা শহীদ নয়নের কথা তুলে ধরেন। পরে জুলাই আন্দোলনে বাঞ্ছারামপুরের আশিক, তুহিন, ইসমাইল, ইমরানের আত্মত্যাগের কথাও বলেন।



