৩ দিন আগের পোস্টে লিখলেন, ‘ সবাই ক্ষমা করে দিবেন, ঈদের সকালেই চিরবিদায় রানার

চারদিকে যখন ঈদের আমেজ, নামাজ পড়ে কোরবানির প্রস্তুতি নিচ্ছেন অনেকে ঠিক তখনই ফেসবুক স্ক্রলে ভাসতে থাকলো বাঞ্ছারামপুরের একজনের মৃত্যুর খবর। একাধিক পোস্টে শোকের আবহে ছেয়ে গেল ফেসবুক। এক টগবগে তরুণের মৃত্যুতে যেন হতবিহ্বল সবাই।
বলছি রানা মাহমুদ বাবুর কথা। বৃহস্পতিবার (২৮ মে) ঈদের দিন সকালে না ফেরার দেশে পাড়ি জমান সদা হাস্যজ্জল এই যুবক।
গত ৩ দিন আগে তিনি এক পোস্টে সবার কাছে ক্ষমাও চান। পোস্টে রানা মাহমুদ বাবু লিখেন, ‘জেনে না জেনে যদি কারও মনে কোন প্রকার কষ্ট দিয়ে থাকি আল্লাহ রস্তে সবাই আমাকে ক্ষমা করে দিবেন’।
এই পোস্ট ঘিরে এখন আবেগ্লাপুত হচ্ছেন বন্ধু আর স্বজনরা। তবে কী মৃত্যু যে সন্নিকটে তা হয়তো টের পেয়েছিলেন তিনি।
রানা মাহমুদ বাবু উপজেলার জগন্নাথপুরের মতিন মিয়ার ছেলে। তিনি বাঞ্ছারামপুর সরকারি কলেজের শিক্ষার্থী ছিলেন। রাজনীতির সঙ্গে ছিলেন জড়িত।
জানা যায়, বাবু ব্রেন টিউমারে আক্রান্ত ছিলেন। ডাক্তারও দেখিয়েছিলেন। কিছুদিন পরই আবার ডাক্তারের কাছে যেতেন তিনি। তবে এর আগেই নিভে গেল জীবন প্রদীপ।
তার এই মৃত্যুতে শোকের ছায়া নেমে এসেছে পুরো উপজেলায়।



