পাহাড়িয়াকান্দির ফরহাদ গরু আর আদম দালালিতে গড়েছেন বাটপারির পাহাড়

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে ফরহাদ নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে গরু চোরাকারবারির অভিযোগ উঠেছে। এক কৃষকের কাছ থেকে ১ লাখ ৬৮ হাজার টাকার গরু কিনে মাত্র ৮ হাজার টাকা বায়না পরিশোধ করে উধাও হয়ে যান তিনি।
অভিযুক্ত ফরহাদ গাচ্ছা পাহাড়িয়াকান্দি গ্রামের নুরু ব্যাপারীর ছেলে।
বিষয়টি সামনে আসার পর উপজেলা জুড়ে বইছে সমালোচনার ঝড়। এ নিয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় অভিযোগও দিয়েছেন বাঁশগাড়ি গ্রামের ভুক্তভোগী কৃষক আবুল কালাম আজাদ।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায় গত ২৪ মে রবিবারের বাজারে একটি গরু বিক্রি করেন আবুল কালাম আজাদ। তখন মাত্র ৮ হাজার টাকা পরিশোধ করে বাকি টাকা ঈদের দিন দেয়া হবে বলে গরুটি নিয়ে নেয় ফরহাদ।
পরে ঈদের দিন টাকা চাইতে গেলে উল্টো টাকা পরিশোধ না করে আবুল কালামকে মারধরের হুমকি দেয়া হয়।
বিষয়টি নিয়ে আবুল কালাম আজাদ বিচার দাবি করেছেন। টাকাসহ তার ক্ষতিপূরণের দাবি করেছেন তিনি।
বিষয়টি আলোচনায় বাঞ্ছারামপুর প্রতিদিন গ্রুপ থেকে। সেখানে পোস্ট দেয়া হলে তাৎক্ষণিক নানা প্রতিক্রিয়া আসতে থাকে। অভিযুক্ত ফরহাদের গ্রামবাসী ও একাধিক পরিচিত জন তাকে বাটপার ও আদমদালাল হিসেবে উল্লেখ করেন।
হাবিব মিয়া নামে একজন লিখেন, সে একটা অরিজিনাল বাটপার। রুমেল নামে একজন কমেন্ট করেন এইসব ধান্দাবাজী কইরাই চলে। হুমাইয়া নামে একজন লিখেন এটা তো দালাল।
লিটন নামে একজন লিখেন এর মত বাটপার মনে হয় না আরেকটা আছে। সোহেল নামে একজন বলেন, হেয় এইভাবে বাকিতে গরু কিনে আনে, তারপর ১০/২০ হাজার টাকা কমে নগদে গরু বিক্রি করে দেয়, পরে নগদ টাকা হেয় খরচ করে। আমার দেখা কুরবানীর গরু নিয়া বাটপারি করার একমাত্র ব্যক্তি এই ফরহাদ।
রাকিব নামে একজন মন্তব্য করেন, সে আদম দালালি করে বহু লোকের টাকা আত্মসাৎ করেছে এবং ভালো জুয়ারী তার বউ তার সহযোগী বহু এনজিও থাইকা টাকা তুলে ঘড় তালা দিয়ে বাড়ী থাইকা পালিয়ে থাকে । পাহাড়ীয়াকান্দির জনগন তার উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা নেওয়া উচিৎ ওই গ্রামের সম্মানহানি করেছে তাকে বিচারের আওতায় আনা দরকার ।
আরো অনেকেই তাকে গরু চোরকারবারি ও জুয়াখোর হিসেবে উল্লেখ করেন।



