বাঞ্ছারামপুর

ঐতিহ্যবাহী হাটটি ছিলো ক্রেতা-বিক্রেতা শূন্য

বাঞ্ছারামপুর উপজেলার ঐতিহ্যবাহী ও অন্যতম বড় পশুর হাট রূপসদী উত্তর বাজার। আসন্ন কোরবানি ঈদকে সামনে রেখে এ সপ্তাহে বসেছে এই হাট। তাতে ক্রেতা-বিক্রেতা ও পশুর দাম নিয়ে আগ্রহ ছিল অনেকের। কারণ এই হাট থেকেই বোঝা যাবে কেমন দাম আর জমজমাট যাবে এবারের ঈদের হাট।

 

বুধবার (২০ মে) প্রতি সপ্তাহের মতো রূপসদী উত্তর বাজারে হাট বসলেও দেখা মেলেনি কাঙ্খিত ক্রেতা-বিক্রেতার। হাটের বেশির ভাগ অংশই ছিল ফাঁকা। যে পশুগুলো আনা হয়েছে তাও বিক্রি হয়নি খুব একটা।

 

 

মিরপুর থেকে আসা বিক্রেতা সাজ্জাদ আলী বলেন, পশু নিয়ে অনেকক্ষণ বসে ছিলাম। কিন্তু দাম কেউ জিজ্ঞেসই করেনি। অন্তত দাম জিজ্ঞেস করলেও বুঝতে পারতাম কেমন দামে বিক্রি করতে পারবো।

 

পশু বিক্রি করতে না পেরে তিনি ফিরে গেছেন। একই ভাবে ফিরে গেছেন পাড়াতলি থেকে আসা কৃষক সফর মিয়া। তারও একই দাবি, পশুর ক্রেতা নেই।

 

 

কিছু ক্রেতার সঙ্গে কথা বললে তারা জানান, এখনও আরো অনেক হাট বাকি। পশু কেনার খুব একটা তাড়া নেই। কয়েকটা বাজার দেখে তারপর সেই অনুযায়ী পশু কিনবেন। এখন কিনলে দামের তারতাম্য বুঝা যাবে না।

 

 

অন্যদিকে বাজারে প্রতিবছরের মতো এবারও সবচেয়ে বড় গরু নিয়ে এসেছেন এক খামারি। চার লাখ টাকার কিছু বেশিতে তিনি একটি বড় গরু বিক্রি করেছেন বলে সময়ের বাঞ্ছারামপুরকে জানান। আর বাজারের সবচেয়ে বড় পশুটি এখনও তার দখলে রয়েছে। সেটির দাম চাওয়া হয়েছে ৬ লাখ ২০ হাজার টাকা। তবে এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত গরুটি বিক্রি হয়নি বলে জানা গেছে।

 

 

 

এদিকে আগামী বৃহস্পতিবার ঈদুল আজহার তারিখ নির্ধারণ হওয়াতে আগামী বুধবার এই বাজারে জমজমাট এক হাট জমবে বলে জানিয়েছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা। সেটিই বড় হাট হবে বলে জানান তারা।

Related Articles

Back to top button