দালাল মুক্ত ভূমি অফিস, ১১৭০ টাকাতেই নামজারি হচ্ছে বলে জানালেন এসিল্যান্ড

কোনো ব্যক্তি কোনো জমির মালিকানা লাভ করার পর তার নাম সংশ্লিষ্ট খতিয়ানে অন্তর্ভুক্ত করা বা তার নিজ নামে নতুন খতিয়ান খোলার যে কার্যক্রম তাকে খারিজ/নামজারি বা মিউটেশন বলে। সাধারণত দীর্ঘ সময়ের ব্যবধানে জরিপের মাধ্যমে রেকর্ড সংশোধন প্রক্রিয়া পরিচালিত হয়। ফলে দুই জরিপের মধ্যবর্তী সময়ে উত্তরাধিকারের মাধ্যমে জমি প্রাপ্তির ফলে কিংবা দলিলের মাধ্যমে জমি হস্তান্তরের ফলে ভূমি মালিকানার পরিবর্তনে খতিয়ান হালনাগাদকরণ অবশ্যম্ভাবী হয়ে পড়ে। এ ক্ষেত্রে সহকারী কমিশনার (ভূমি) খারিজ/নামজারি বা মিউটেশনের মাধ্যমে খতিয়ান হালকরণের কাজ করে থাকে।
দীর্ঘ সময় থেকে সাধারণ মানুষের ধারণা দালাল ছাড়া নামজারি প্রায় অসম্ভব। সহজে নামজারি করতে অনেকেই দ্বারস্থ হন দালালের কাছে। মোটা অঙ্কের টাকাও হাতিয়ে নেন দালালরা। তবে এ অবস্থার অবসান করে চলছেন বাঞ্ছারামপুরের সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ রবিউল হাসান ভূঁইয়া। কোনো দালাল ছাড়াই সহজে নামজারি করার প্রক্রিয়া নিয়ে সবাইকে সচেতন করছেন তিনি।
সময়ের বাঞ্ছারামপুরকে তিনি বলেন, নামজারির ক্ষেত্রে অনেকে হয়রানির শিকার হন। দালালরা অনেক টাকা হাতিয়ে নেয়। কখনো দশ কিংবা তারও বেশি টাকা নিয়ে নেয় অসাধু চক্র। আমরা এই চক্র ভাঙতে চাই। শুধু মাত্র নামজারি আবেদন ফি ৭০ টাকা এবং ডিসিআর (DCR) ফি ১১০০ টাকা নিয়ম অনুযায়ী পরিশোধ করলেই যে কেউ সহজে নামজারি করতে পারে। এছাড়া আর এক টাকারও প্রয়োজন হয় না। আমি সবাইকে আহ্বান জানাবো আপনারা কেউ কোনো চক্রের দ্বারস্থ হবেন না। সরাসরি ভূমি অফিসে যোগাযোগ করুন।
ভূমি অফিসকে দালালমুক্ত রাখার প্রতিশ্রুতিও দেন তিনি।



