মধ্যনগরে মাজারের তালা ভেঙে চুরি দানবাক্সের টাকা, কঠোর অবস্থানে পুলিশ

মধ্যনগরে মাজারের তালা ভেঙে চুরি দানবাক্সের টাকা, কঠোর অবস্থানে পুলিশ
বাঞ্ছারামপুরের মধ্যনগরে আম্বর আলী শাহ মাজারের মূল ফটকের তালা ভেঙে দানবাক্সের প্রায় এক লাখ টাকা চুরির অভিযোগ উঠেছে। এ ছাড়া মাজার থেকে আটটি কাঁসার পাতিল ও বেশ কিছু আসবাবপত্রও চুরি হয় বলে জানা গেছে। এ ঘটনায় থানায় দেয়া হয়েছে লিখিত অভিযোগ। পুলিশ বলছে নেয়া হবে কঠোর ব্যবস্থা।
মঙ্গলবার (২০ অক্টোবর) রাত ৮টা থেকে বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যে উপজেলার ছয়ফুল্লাকান্দি ইউনিয়নের মধ্যনগর এলাকার এ মাজারে এ চুরির ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় মাজারের নিরাপত্তাব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে।
জানা গেছে, চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মোট মূল্য প্রায় ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা। চুরির ঘটনায় ভক্তদের মধ্যে ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে।
মাজার পরিচালনা কমিটির সহসভাপতি এটিএম বাক্কী জানান, মঙ্গলবার রাত ৮টা থেকে বুধবার সকাল সাড়ে ৬টার মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে।
থানায় দেওয়া লিখিত অভিযোগে এটিএম বাক্কী উল্লেখ করেন, মঙ্গলবার রাতে মাজারের ভেতর ও চারপাশ দেখে মূল ফটকে তালা লাগিয়ে চলে যান তিনি। বুধবার সকালে মাজারে গিয়ে দেখেন, মূল ফটকের তালা ভাঙা এবং সামনের দরজা খোলা। পরে আশপাশের লোকজনকে ডেকে এনে মাজারের ভেতরে ও চারপাশে খোঁজাখুঁজি করেন। তখন মাজারের দানবাক্সে থাকা টাকা ও বিভিন্ন মালামাল চুরি হওয়ার বিষয়টি সামনে আসে।
এটিএম বাক্কী জানান, লুটেরারা মাজারের দানবাক্স থেকে আনুমানিক এক লাখ টাকা, ২০ হাজার টাকা মূল্যের আটটি কাঁসার পাতিল এবং প্রায় ২৫ হাজার টাকা মূল্যের বিভিন্ন আসবাবপত্র নিয়ে গেছে।
সব মিলিয়ে চুরি হওয়া মালামালের আনুমানিক মূল্য দাঁড়িয়েছে ১ লাখ ৪৫ হাজার টাকা হতে পারে।
একটি ধর্মীয় স্থাপনায় তালা ভেঙে এভাবে অর্থ ও মালামাল চুরির অভিযোগকে ঘিরে মাজারের ভক্ত ও স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন, রাতের আঁধারে কারা এ ঘটনা ঘটিয়েছে, কীভাবে তারা মাজারে প্রবেশ করেছে এবং চুরি হওয়া মালামাল কোথায় নেয়া হয়েছে পুলিশ তা দ্রুত তদন্ত করে বের করুক।
এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. ইয়াছিন বলেন, মাজারে চুরি হওয়ার ঘটনায় একটি অভিযোগ হাতে পেয়েছি। বিষয়টি নিয়ে আমরা তদন্ত করবো। ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করতে পুলিশ ইতোমধ্যে কাজ শুরু করেছে।



