ধর্ষণচেষ্টার পর কেটে গেল ১০ দিন, এখনো ধরা ছোঁয়ার বাহিরে জলিল

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলার দরিয়াদৌলতে পূজামণ্ডপের মেলা থেকে মাথার ব্যান ও ১০০ টাকার লোভ দেখিয়ে ৯ বছরের এক শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগ ওঠেছে ৫২ বছর বয়সী জলিল মিয়া নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। হাসপাতালের মেডিকেল রিপোর্টেও মিলেছে ধর্ষণ চেষ্টার আলামত।
ঘটনাটি ধামাচাপা দেয়ার চেষ্টা করা হলেও তা সম্প্রতি গণমাধ্যমের নজরে আসে। এ কারণে শিশুটির বাড়িঘর পুড়িয়ে দেয়ার হুমকি দিচ্ছেন অভিযুক্ত ব্যক্তির স্বজনরা। ধর্ষণ চেষ্টার ঘটনায় থানায় অভিযোগ দেয়া হলেও এখনো পর্যন্ত অভিযুক্ত জলিলকে আটক করতে পারেনি পুলিশ। এ দিকে ভুক্তভোগী শিশুটির পরিবারের দিন কাটছে চরম নিরাপত্তাহীনতায়।
অভিযুক্ত জলিল মিয়া দরিয়াদৌলত উত্তরপাড়ার মৃত কাদির মিয়ার ছেলে। ঘটনার পর থেকেই তিনি পলাতক রয়েছেন বলে জানা গেছে।
ভুক্তভোগী শিশুটির মা বাদী হয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় দিয়েছেন লিখিত অভিযোগ। অভিযোগে তিনি উল্লেখ করেন, গত ১৮ অক্টোবর সন্ধ্যার দিকে তার মেয়ে পূজামন্ডপে গেলে জলিল মিয়া তাকে ১০০ টাকা ও মাথার ব্যান কিনে দিয়ে প্রলোভন দেখান। পরে দরিয়াদৌলতের বালুর চরে নিয়ে তার আপত্তিকর স্থানে স্পর্শ করে ধর্ষণ চেষ্টা করেন। এক পর্যায়ে শিশুটির চিৎকারে স্থানীয়রা এগিয়ে এলে পালিয়ে যান জলিল। এরপর থেকেই হুমকি-ধামকি দিয়ে চলছেন জলিলের পরিবার।
এমন ন্যাক্কারজন ঘটনায় সুষ্ঠু বিচারের দাবি শিশুটির মায়ের। স্থানীয়রাদের মধ্যেও বিরাজ করছে ক্ষোভ।
বিষয়টি নিয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানা পুলিশের ওসি মোহাম্মদ ইয়াসিন সময়ের বাঞ্ছারামপুরকে বলেন, এ ঘটনায় থানায় লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। অভিযুক্ত জলিলকে আটকের চেষ্টা চলছে। আমাদের চেষ্টার কোনো কমতি নেই।



