বাঞ্ছারামপুর

পানির নিচে নৌকার সঙ্গে বাঁধা ছিল মুকবুলের মরদেহ, হতভম্ব সবাই

পানির নিচে নৌকার সঙ্গে বাঁধা ছিল মুকবুলের মরদেহ, হতভম্ব সবাই

 

 

বাঞ্ছারামপুর (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি : ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরে নিখোঁজের পাঁচ দিন পর তিতাস নদী থেকে মুকবুল হোসেন (৪০) নামে একজনের মরদেহ উদ্ধার করা হয়েছে।

 

রোববার বিকেলে উপজেলার মিরপুর এলাকায় নদীর পানির তলদেশ থেকে নৌকার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় তাঁর মরদেহ উদ্ধার করে ফায়ার সার্ভিসের ডুবুরি দলের সদস্যরা।

 

মুকবুল হোসেন উপজেলার ছলিমাবাদ ইউনিয়নের পাঠামারা গ্রামের বাসিন্দা। তিনি তিতাস নদীতে বালু উত্তোলনের একটি ড্রেজার ব্যবসার অংশীদার ছিলেন।

 

পরিবার ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, গত মঙ্গলবার রাত ১০টার পর ড্রেজার থেকে নিখোঁজ হন মুকবুল। এরপর স্বজন ও স্থানীয়রা নদীসহ আশপাশের এলাকায় খোঁজাখুঁজি করেও তাঁর সন্ধান পাননি। এ ঘটনায় বাঞ্ছারামপুর মডেল থানায় সাধারণ ডায়েরি করা হয়।

 

এদিকে একই এলাকায় রুবেল মিয়া নামে আরও একজন নিখোঁজ হওয়ার ঘটনায় স্থানীয়দের মধ্যে উদ্বেগ দেখা দেয়। পরে শনিবার রাত ১০টার দিকে রুবেল মিয়াকে জীবিত অবস্থায় উদ্ধার করা হয়। অসুস্থ অবস্থায় তাঁকে বাঞ্ছারামপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানে তাঁকে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

 

মুকবুলের সন্ধান না পাওয়ায় খবর দেওয়া হয় ফায়ার সার্ভিসকে। পরে নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের ডুবুরি দল আজ সকাল থেকে মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। প্রায় সাড়ে ৮ ঘণ্টা তল্লাশির পর পানির তলদেশে নৌকার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মুকবুলের মরদেহের সন্ধান পান ডুবুরিরা। পরে মরদেহটি উদ্ধার করা হয়।

 

নারায়ণগঞ্জ নদী ফায়ার স্টেশনের লিডার মোহাম্মদ হারুনুর রশিদের নেতৃত্বে ডুবুরি আশিক মাহমুদ ও দেলোয়ার হোসাইন উদ্ধার অভিযানে অংশ নেন।

 

মোহাম্মদ হারুনুর রশিদ বলেন, মিরপুর এলাকায় তিতাস নদীতে একজনের মরদেহ থাকতে পারে মডেল থানা কর্তৃক এমন তথ্য পেয়ে আজ সকাল থেকে তল্লাশি শুরু করি। বিকেল চারটায় দিকে পানির তলদেশ থেকে নৌকার সঙ্গে বাঁধা অবস্থায় মরদেহটি উদ্ধার করতে সক্ষম হই।

 

এ বিষয়ে বাঞ্ছারামপুর মডেল থানার পুলিশ পরিদর্শক আবু সাঈদ বলেন, ঘটনাটি তদন্তাধীন রয়েছে। তদন্ত শেষে এ বিষয়ে বিস্তারিত জানানো হবে।

Related Articles

Back to top button