তিতাসে নৌপথ সংকুচিত, বড় শঙ্কার কথা জানালো তরী বাংলাদেশ

ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় নৌ-নিরাপত্তা সপ্তাহ ২০২৬ উপলক্ষে সচেতনতামূলক কর্মসূচি পালন করেছে সামাজিক সংগঠন “তরী বাংলাদেশ”। এবারের প্রতিপাদ্য ছিল— “বিপদমুক্ত নৌযাত্রা, জানমালের সুরক্ষা”।
শনিবার (১৬ মে) বেলা ১১টায় তিতাস নদীর আনন্দ বাজার ঘাটে আয়োজিত এ কর্মসূচিতে নদী ও নৌপথ রক্ষায় বিভিন্ন দাবি তুলে ধরেন বক্তারা।
বক্তারা বলেন, তিতাস নদীর বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে বর্জ্য ফেলে নদী ভরাট করা হচ্ছে। এছাড়া কিছু অসাধু ব্যক্তি মাছ ধরার নামে ঘের দিয়ে নৌযান চলাচলের পথ সংকুচিত করে ফেলছে। এতে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি নৌ-দুর্ঘটনার ঝুঁকিও বাড়ছে।
তারা নৌযানের ফিটনেস নিশ্চিতকরণ, মাঝিদের প্রশিক্ষণ ও লাইসেন্স প্রদান, নৌযানে নিরাপত্তা সামগ্রী রাখা, অতিরিক্ত যাত্রী ও পণ্য পরিবহন বন্ধে নজরদারি বৃদ্ধি, রাতে বাল্কহেড চলাচল বন্ধ, তিতাস নদীতে ডুবুরি ও নৌ-পুলিশ ইউনিট স্থাপন এবং নদী খননের মাধ্যমে নৌপথ সচল রাখার দাবি জানান।
অনুষ্ঠানে এ এফ এম আবদুস সাকির ছোটনের সঞ্চালনায় এবং তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক শামীম আহমেদের সভাপতিত্বে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন মাল্টিপার্টি অ্যাডভোকেসি ফোরামের সভাপতি এবিএম মোমিনুল হক।
স্বাগত বক্তব্য দেন তরী বাংলাদেশের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য খালেদা মুন্নী।
এসময় আরও বক্তব্য রাখেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রেসক্লাবের সাবেক সহ-সভাপতি সৈয়দ মো. আকরাম, খেলাঘরের সাধারণ সম্পাদক নীহার রঞ্জন সরকার, সমাজকর্মী কমরেড নজরুল ইসলাম, অংকুর শিশু-কিশোর সংগঠনের সভাপতি আনিসুল হক রিপন, সুফি জুলফিকার হায়দার স্মৃতি সংগঠনের আহ্বায়ক মোহাম্মদ উল্লাহ, ঐক্যবদ্ধ ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদরের আহ্বায়ক আরিফ বিল্লাহ আজিজি, সদস্য সচিব মো. সাবের হোসেন, কবি শিরিন আক্তার, কবি রুদ্র মো. ইদ্রিসসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠনের নেতৃবৃন্দ।



