খাগকান্দায় বাবার মরদেহ শণাক্তের পর ছেলে নিস্তব্ধ-নির্বিকার

চারদিকে মানুষের হট্টগোল। পানিতে পড়ে আছে একটি মরদেহ। উদ্ধার করতে এসেছে পুলিশ। তখনও জানা যায়নি মরদেহটি আসলে কার। চলছে নানা গুঞ্জন। এরই মধ্যে হঠাৎ কিছুটা আঁচ করতে পেরেছে খাগকান্দা গ্রামবাসী। মরদেহটি তাদের গ্রামেরই কোনো একজনের হতে পারে।
ঠিক সেই মুহূর্তে হাজির এক যুবক। পুলিশ পানি থেকে তুলে ডাঙ্গায় রেখেছে মরদেহটি। পরিচয় শণাক্তের চেষ্টা চলছে। যুবককে জিজ্ঞাসা করা হচ্ছে মরদেহটি তার পরিচিত কেউ কি না। তবে সেই যুবক একদম নির্বিকার, নিস্তব্ধ। কিছুই বলছে না। পরে দেখা যায় তারই বাবা সবুজ মিয়ার (৪০)।
বাবার মরদেহ আঁচ করতে পেরে যুবকের নীরবতা সবাইকে কিছুটা ভাবিয়ে তুলেছে। ছেলে কেন তার বাবার মরদেহ সামনে রেখে কোনো অনুভূতিই দেখাচ্ছে না? প্রশ্ন জাগে সবার মনে। অনেকে বলছেন অতি শোকে হয়তো পাথর হয়ে গেছে। আবার কেউ বলছেন রহস্যজনক কিছু।
ঠিক এমনই এক ঘটনা ঘটেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুরের খাগকান্দা গ্রামে।
শনিবার (২৩ মে) সকালে খাগকান্দা গ্রামে এক অজ্ঞাত পরিচয়ের মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয় স্থানীয়রা। পরে পুলিশ এসে মরদেহ উদ্ধার করে। প্রথমে এটির পরিচয় পাওয়া না গেলেও পরে একই গ্রামের সবুজ মিয়ার মরদেহ বলে প্রাথমিক ভাবে শণাক্ত হয়।
সবুজ মিয়া অটোরিকশা চালক ছিলেন বলে জানা গেছে।
তবে তিনি কবে থেকে নিখোঁজ ছিলেন এ বিষয়ে কিছুই জানায়নি পরিবার।
মরদেহটি ময়নাতদন্তের জন্য নিয়ে যায় পুলিশ। এ ঘটনায় এলাকায় সৃষ্টি হয়েছে চাঞ্চল্য।



