হঠাৎ বাঞ্ছারামপুরের ১২৮ গ্রামে যাওয়ার মিশনে এনসিপি নেতা, সাড়া পাচ্ছেন কতটা?

আগামীকাল থেকে বাঞ্ছারামপুরের ১২৮ গ্রামে যাওয়ার মিশন শুরু করতে যাচ্ছেন বাঞ্ছারামপুর উপজেলার এনসিপির প্রধান সমন্বয়ক মোহাম্মদ মাইনুদ্দিন। এরমধ্যে এ ঘোষণা দেয়ার পর পাচ্ছেন ভালো সাড়া। অনেকেই নিজ এলাকায় আর গ্রামে স্বাগত জানাচ্ছেন তাকে।
শনিবার (২৩ মে) রাতে এক ফেসবুক পোস্টে সব পাড়া-মহল্লায় যাওয়ার ঘোষণা দেন তিনি।
ফেসবুকে তিনি লিখেন, ‘আমি আগামীকাল থেকে মানুষের সাথে পরিচিত হতে বাঞ্ছারামপুরের ১২৮ টি গ্রামের প্রতিটা গ্রাম/মহল্লায় যাওয়ার নিয়ত করেছি । শুরু করব আমার নিজ গ্রাম পাড়াতলী থেকে। দয়া করে আপনারা আপনার গ্রামের মুরুব্বিদের, যুবকদের, মা-খালাদের ও আপনার আত্মীয় স্বজনদের সাথে আমার পরিচয় করিয়ে দিবেন এবং আমার প্রবাসী ভাইয়েরা পরামর্শ দিয়ে পাশে থাইকেন।
সবার সহযোগিতাও কামনা করেন এনসিপির এই নেতা।
তার এই মিশনকে ঘিরে এরইমধ্যে উপজেলা জুড়ে শুরু হয়েছে নানান আলোচনা। অনেকেই মনে করছেন আসন্ন উপজেলা পরিষদ নির্বাচনকে ঘিরেই তিনি এমন কর্মসূচি নিয়েছেন। সবার মধ্যে নিজের গ্রহণযোগ্যতা তৈরি করতেই মানুষের দ্বারে দ্বারে যাবেন তিনি।
এর আগে আসন্ন স্থানীয় সরকার নির্বাচনকে সামনে রেখে উপজেলা চেয়ারম্যান ও পৌর মেয়র পদে ১০০ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করে জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)।
রবিবার (১০ মে) রাজধানীর বাংলামোটরে দলটির কার্যালয়ে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এ ঘোষণা দেয়া হয়।
এসময় ব্রাহ্মণবাড়িয়ার বাঞ্ছারামপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদপার্থী হিসেবে মো. মাইনুদ্দিনের ঘোষণা করেন দক্ষিণাঞ্চলের যুগ্ম মুখ্য সংগঠক মোহাম্মদ আতাউল্লাহ।
মো. মাইনুদ্দিন এনসিপির বাঞ্ছারামপুর উপজেলার প্রধান সমন্বয়ক। জাতীয় সংসদ নির্বাচন থেকে শুরু করে একাধিক বার নানা কারণে তিনি ছিলেন আলোচনায়। মানবিক ও এলাকার জন্য কাজ করে এই তরুণ এরইমধ্যে কুড়িয়েছেন বেশ প্রশংসা। জামায়তসহ সমমনা দলগুলোর সঙ্গে তার রয়েছে বেশ সখ্যতা। এছাড়াও তিনি হয়ে উঠেছেন পরিচিত এক মুখ। সাংগঠনিক জায়গা থেকে রয়েছেন অনেকটাই এগিয়ে।
নাম ঘোষণার পর এনসিপি নেতা মাইনুদ্দিন নিজের প্রতিক্রিয়ায় জানান, সবার ভালোবাসায় শেষ পর্যন্ত নির্বাচনী মাঠে থাকবো। জনগণের সমর্থনই আমার একমাত্র অবলম্বন। দেখা হবে বিজয়ে।
নাম ঘোষণার পর তাকে নিয়ে শুরু হয়েছে আলোচনা। দলীয় নেতাকর্মীরা জানাচ্ছেন শুভেচ্ছা।



